গেলফন্ডের ধ্রুবক হলো e-এর π তম ঘাত। এর মান প্রায় 23.14069263277927… এটিকে অতীন্দ্রিয় প্রমাণ করা ছিল হিলবার্টের সপ্তম সমস্যা, যা 1900 সালে 20শ শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্মুক্ত সমস্যাগুলোর একটি হিসেবে উত্থাপিত হয়েছিল। 1934 সালে আলেকজান্ডার গেলফন্ড এর সমাধান দেন।
e^π খুবই লোভনীয়ভাবে 23-এর কাছে, কিন্তু 0.14 দূরে। e^π - π ≈ 19.999 আরও কাছাকাছি, কিন্তু তারও কোনো পরিচিত তাৎপর্য নেই।
Gelfond–Schneider উপপাদ্য (1934) বলে: যদি a বীজগাণিতিক হয়, 0 বা 1 না হয়, এবং b বীজগাণিতিক কিন্তু অমূলদ হয়, তবে a^b অতীন্দ্রিয়। এখন e^π = (e^(iπ))^(−i) = (−1)^(−i)। এখানে a = −1 (বীজগাণিতিক) এবং b = −i (বীজগাণিতিক ও অমূলদ)। তাই উপপাদ্যটি সরাসরি প্রযোজ্য।
Gelfond–Schneider উপপাদ্যে অতীন্দ্রিয় প্রমাণিত সংখ্যার কিছু উদাহরণ
| রাশি | a | b | ফলাফল |
|---|---|---|---|
| e^π = (-1)^(-i) | -1 | -i | অতীন্দ্রিয় |
| 2^√2 (Hilbert) | 2 | √2 | অতীন্দ্রিয় |
| √2^√2 | √2 | √2 | অতীন্দ্রিয় |
সংখ্যাগতভাবে e^π − π ≈ 19.9990999 খুব কাছাকাছি একটি মান, কিন্তু এর কোনো পরিচিত গভীর গাণিতিক ব্যাখ্যা নেই। সম্ভবত এটি কেবল কাকতাল, যদিও কখনো কখনো Ramanujan-এর ধ্রুবকের মতো কাকতাল পরবর্তীতে গভীর ব্যাখ্যা পেয়েছে। e^π-এর অগণিত দশমিক স্থান গণনা করা হয়েছে: 23.14069263277926900572908636794854738…
e^π > π^e। ক্যালকুলেটর ছাড়াই এটি প্রমাণ করা যায়: x^(1/x) ফাংশনের সর্বোচ্চ মান x=e-এ, তাই e^(1/e) > π^(1/π), সেখান থেকে e^π > π^e।
গেলফন্ডের ধ্রুবক e^π ≈ 23.14069। এটিকে অতীন্দ্রিয় প্রমাণ করাই ছিল হিলবার্টের সপ্তম সমস্যা। 1934 সালে গেলফন্ড দেখান: যদি a বীজগাণিতিক হয় (0 বা 1 নয়) এবং b বীজগাণিতিক ও অমূলদ হয়, তবে a^b অতীন্দ্রিয়। যেহেতু e^π = (-1)^(-i), এবং -1 ও -i উভয়ই বীজগাণিতিক, তাই উপপাদ্যটি এখানে প্রযোজ্য। e^π - π ≈ 19.999 এই নিকট-সমাপতনের কোনো পরিচিত গাণিতিক ব্যাখ্যা নেই।