Phyllotaxis হলো উদ্ভিদের পাতা, বীজ বা ক্ষুদ্র ফুলের বিন্যাস। প্রতিটি নতুন পাতা বা বীজ আগেরটির থেকে স্বর্ণকোণ পরিমাণ সরিয়ে বসানো হয়। এতে প্রতিটি উপাদান সর্বাধিক আলো ও বৃষ্টির সংস্পর্শ পায়, এবং বীজগুলোও ওভারল্যাপ ছাড়া সবচেয়ে ঘনভাবে বসে। সূর্যমুখী, pine cone বা pineapple-এ যে সর্পিল দেখা যায়, তাদের সংখ্যা সবসময় ধারাবাহিক Fibonacci সংখ্যা—স্বর্ণকোণের সরাসরি ফল।
দা ভিঞ্চি উদ্ভিদের সর্পিল পাতাবিন্যাস লক্ষ্য করেছিলেন এবং তার নকশাও এঁকেছিলেন। তবে স্বর্ণকোণ দিয়ে এর গাণিতিক ব্যাখ্যা আসে অনেক পরে। “Phyllotaxis” শব্দটি চালু হয় 1754 সালে, আর স্বর্ণানুপাতের সঙ্গে এর সম্পর্ক 19শ শতকে Bravais ভ্রাতৃদ্বয়সহ আরও কিছু গবেষক স্পষ্ট করেন।
স্বর্ণকোণ ≈ 137.508° একটি পূর্ণ ঘূর্ণনকে (360°) স্বর্ণানুপাত অনুযায়ী ভাগ করে: বড় অংশ 360/φ ≈ 222.5° এবং ছোট অংশ 360/φ² ≈ 137.5°। উদ্ভিদ পাতা ও বীজকে এই কোণে সাজায়, যাতে আলো পাওয়া ও ঘন বিন্যাস—দুটিই সর্বাধিক হয়। এর ফলে যে সর্পিল তৈরি হয়, তাদের সংখ্যা সবসময় ধারাবাহিক Fibonacci সংখ্যা: সূর্যমুখীতে প্রায়ই 34 ও 55, অথবা 55 ও 89টি সর্পিল দেখা যায়। এই কার্যকারিতা স্বর্ণকোণের চরম অমূলদতার ফল।